প্যারাফ্রেজ টুল (বাংলা প্যারাফ্রেজিং)

বাংলা বাক্য নতুন শব্দ ও কাঠামোয় লিখুন, অর্থ না বদলে; সাতটি মোড, বিনামূল্যে, অ্যাকাউন্ট ছাড়া।

মোড
0 শব্দ · 0 অক্ষর
ফলাফল এখানে বেছে নেওয়া ভাষায় লেখা হবে।
Ctrl/⌘ + Enter
ফলাফল এখানে দেখা যাবে। বদলানো শব্দগুলো সবুজ রঙে চিহ্নিত থাকবে।

আপনার লেখা কখনো জমা রাখা হয় না। মূল সুবিধাগুলো চিরকাল বিনামূল্যে।

সারসংক্ষেপ

AdeptWrite-এর প্যারাফ্রেজ টুল বাংলা লেখাকে নতুন শব্দ ও বাক্যগঠনে আবার লেখে, মূল অর্থ যথাসম্ভব রেখে। সাতটি মোডের একটি বেছে প্রতি রানে ৬,০০০ অক্ষর পর্যন্ত লেখা দিন; বদলানো শব্দ সবুজ দেখায়। বিনামূল্যে, অ্যাকাউন্ট ছাড়া, লেখা জমা থাকে না। সাধারণ, আনুষ্ঠানিক, ঘরোয়া বা একাডেমিক ধাঁচ বেছে নিয়ে একই বক্তব্য ভিন্নভাবে বলতে পারবেন। উদ্ধৃত অংশ বা সূত্র নিজে ঠিক রাখুন, কারণ অন্যের লেখা নতুন শব্দে সাজালেও সূত্র উল্লেখ করা দরকার। ফল পড়ে অর্থ মিলিয়ে নিন।

ব্যবহারের নিয়ম প্যারাফ্রেজ টুল (বাংলা প্যারাফ্রেজিং)

  1. বাঁ দিকের বাক্সে লেখা পেস্ট করুন বা টাইপ করুন (প্রতি রানে সর্বোচ্চ ৬,০০০ অক্ষর)।
  2. মোড বেছে নিন: সাধারণ, আনুষ্ঠানিক, ঘরোয়া, একাডেমিক, সৃজনশীল, সংক্ষেপ বা বিস্তার।
  3. প্যারাফ্রেজ করুন বোতামে চাপ দিন (অথবা Ctrl/⌘ + Enter) এবং কয়েক সেকেন্ড অপেক্ষা করুন।
  4. সবুজ চিহ্নিত শব্দগুলো মিলিয়ে দেখুন, দরকারমতো কোনো শব্দে চেপে সমার্থক শব্দ বদলে নিন, তারপর কপি বা ডাউনলোড করুন।

আগে ও পরে

আগে
পরীক্ষার আগে নিয়মিত অনুশীলন করলে শিক্ষার্থীরা পড়া অনেক ভালোভাবে মনে রাখতে পারে।
পরে
পরীক্ষার আগে ধারাবাহিকভাবে চর্চা করলে শিক্ষার্থীদের পক্ষে পাঠ্য বিষয় আরও ভালো মনে রাখা সম্ভব হয়।

টীকা: সাধারণ মোড। নিয়মিত অনুশীলন করলে → ধারাবাহিকভাবে চর্চা করলে, পড়া → পাঠ্য বিষয়, আর বাক্যের গড়ন বদলেছে; অর্থ একই আছে। ফল সব সময় নিজে মিলিয়ে নিন।

সুবিধা ও মোড

উপলব্ধ মোড: সাধারণ · আনুষ্ঠানিক · ঘরোয়া · একাডেমিক · সৃজনশীল · সংক্ষেপ · বিস্তার

  • সাতটি মোড, সাত রকম দরকার — দরখাস্ত ও প্রতিবেদনের জন্য আনুষ্ঠানিক, চ্যাট ও ক্যাপশনের জন্য ঘরোয়া, গবেষণাপত্রের জন্য একাডেমিক, আর লেখার দৈর্ঘ্য ঠিক করতে সংক্ষেপ ও বিস্তার।
  • বদলানো শব্দ সবুজ রঙে — কোন শব্দ বদলেছে তা এক নজরে দেখা যায়, তাই অর্থ সরে গেছে কি না আপনি নিজেই যাচাই করতে পারেন।
  • এক ক্লিকে সমার্থক শব্দ — ফলাফলের যেকোনো শব্দে চাপ দিলে বিকল্প শব্দ দেখা যায়; পুরো লেখা আবার প্রসেস করতে হয় না।
  • বাংলা ও অন্যান্য ভাষা — লেখার ভাষা নিজে থেকে শনাক্ত হয়, চাইলে হাতে বেছে নেওয়া যায়; ফলাফল সেই ভাষাতেই আসে।
  • কপি, ডাউনলোড, শেয়ার — ফলাফল কপি করুন, .doc ফাইল হিসেবে নামিয়ে নিন বা ফোন থেকেই শেয়ার করুন।

যাঁদের জন্য

শিক্ষার্থী
বইয়ের বা নোটের কোনো অংশ নিজের ভাষায় বুঝে লিখতে একাডেমিক মোডে একটি খসড়া পান, তারপর নিজের মতো সাজিয়ে উৎসের উল্লেখ করুন।
চাকরিপ্রার্থী ও অফিসকর্মী
চ্যাটের ভঙ্গিতে লেখা বার্তা আনুষ্ঠানিক মোডে বদলে ইমেইল বা আবেদনপত্রে বসান।
কনটেন্ট নির্মাতা
ফেসবুক, ইউটিউব বা ব্লগের একই বক্তব্য সৃজনশীল ও ঘরোয়া মোডে কয়েকটি ভিন্ন সুরে লিখে দেখুন।
লেখক ও সম্পাদক
জট পাকানো লম্বা বাক্য সংক্ষেপ মোডে ছোট করুন, বা খুব ছোট বাক্য বিস্তার মোডে খুলে লিখুন।

প্যারাফ্রেজ বলতে কী বোঝায়?

প্যারাফ্রেজ মানে কোনো লেখার ভাব নিজের শব্দে ও নিজের বাক্যগঠনে আবার প্রকাশ করা, যাতে অর্থ একই থাকে। সারাংশে লেখা ছোট হয়, প্যারাফ্রেজে সাধারণত মূল লেখার প্রায় সমান দৈর্ঘ্য থাকে। উদ্ধৃতিতে হুবহু শব্দ থাকে এবং উদ্ধৃতিচিহ্ন লাগে; প্যারাফ্রেজে তা লাগে না, কিন্তু একাডেমিক লেখায় উৎসের উল্লেখ তবু দিতে হয়।

ভালো প্যারাফ্রেজে অর্থ মূলের মতো, শব্দ ও গঠন আলাদা, আর পড়তে স্বাভাবিক। প্রথমটি আপনাকেই মিলিয়ে নিতে হবে।

কোন মোড কখন?

মোডকখন কাজে লাগেকী বদলায়
সাধারণনিবন্ধ, অ্যাসাইনমেন্ট, সাধারণ লেখাশব্দ সমার্থকে বদলায়, বাক্য গোছানো হয়
আনুষ্ঠানিকদরখাস্ত, প্রতিবেদন, অফিসের চিঠিকথ্য শব্দ প্রমিত ও মার্জিত রূপে আসে
ঘরোয়াচ্যাট, ক্যাপশন, বন্ধুকে বার্তাসুর নরম ও সহজ হয়
একাডেমিকগবেষণাপত্র, থিসিস, সাহিত্য-পর্যালোচনানৈর্ব্যক্তিক ও তথ্যনিষ্ঠ ভঙ্গি
সৃজনশীলব্লগ, বিজ্ঞাপন, গল্পের খসড়াশব্দ ও উপমা আরও জীবন্ত
সংক্ষেপলম্বা বা জটিল বাক্যবাড়তি শব্দ বাদ, বাক্য একত্র
বিস্তারখুব ছোট খসড়াভাব আরও স্পষ্ট করে বলা, নতুন তথ্য নয়

প্যারাফ্রেজ আর চৌর্যবৃত্তি

কয়েকটি শব্দ বদলে বাকি গঠন হুবহু রাখা প্রায় নকলের মতোই। নিরাপদ পথ হলো মূল অংশ পড়ে বুঝে নেওয়া, বই বন্ধ করে নিজে লেখা, তারপর মিলিয়ে দেখা যে গঠন আলাদা ও অর্থ ঠিক আছে, এবং শেষে উৎস উল্লেখ করা। উৎস লেখার জন্য সাইটেশন জেনারেটর আর মিল যাচাইয়ের জন্য প্লেজারিজম চেকার ব্যবহার করতে পারেন। ধাপে ধাপে নিয়ম দেখুন বাংলায় প্যারাফ্রেজ করার নিয়ম গাইডে।

সীমাবদ্ধতা

  • প্রতি রানে সর্বোচ্চ ৬,০০০ অক্ষর।
  • টুলটি এআই-নির্ভর। পরিভাষা, নাম, সংখ্যা ও উদ্ধৃতি ভুলভাবে বদলাতে পারে; নিজে পড়ে নিন।
  • এআই সার্ভারে পৌঁছানো না গেলে বাংলার জন্য অফলাইন বিকল্প নেই; ত্রুটির বার্তা আসে, আবার চেষ্টা করুন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

প্যারাফ্রেজ টুল কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ, সাইন-আপ ছাড়াই সাতটি মোড বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়। সীমা কেবল প্রযুক্তিগত: প্রতি রানে ৬,০০০ অক্ষর, আর সবার জন্য সেবা দ্রুত রাখতে প্রতি আইপি থেকে মিনিটে ৩০টি অনুরোধ। লম্বা লেখা ভাগ করে দিলেই চলে।

আমার লেখা কি জমা রাখা হয়?

না। লেখা কেবল ফল তৈরির জন্য সার্ভারে যায়, ফল ব্রাউজারে ফেরত দেওয়ার পর তা রাখা হয় না। লেখা মডেল প্রশিক্ষণে ব্যবহার করা হয় না। তবু ব্যক্তিগত বা গোপন তথ্য পেস্ট না করাই নিরাপদ অভ্যাস।

প্যারাফ্রেজ আর সারাংশের পার্থক্য কী?

প্যারাফ্রেজে ভাব একই থাকে এবং দৈর্ঘ্যও প্রায় সমান, শুধু শব্দ ও গঠন নতুন হয়। সারাংশে মূল কথাটুকু রেখে লেখা ছোট করা হয়। ছোট করতে চাইলে সংক্ষেপ মোড বা সারাংশ টুল ব্যবহার করুন।

প্যারাফ্রেজ করলে কি প্লেজারিজম এড়ানো যায়?

নিজে বুঝে নতুন গঠনে লিখলে মিল কমে, তবু উৎসের উল্লেখ বাদ দিলে সেটি অসৎ ব্যবহার হতে পারে। টুলের ফল সরাসরি জমা না দিয়ে নিজে সম্পাদনা করুন, উৎস দিন এবং মিল যাচাই করে নিন।

থিসিস বা গবেষণাপত্রে কি এটি ব্যবহার করা যায়?

খসড়া তৈরিতে সহায়ক হিসেবে যায়। একাডেমিক মোডে চালিয়ে ফল মূল উৎসের সঙ্গে মিলিয়ে নিন এবং উৎস উল্লেখ করুন। আপনার বিভাগ বা প্রতিষ্ঠান এআই-সহায়তা সম্পর্কে যে নিয়ম দিয়েছে, তা আগে দেখে নিন।

ফলাফলে কেন খুব কম বদল হলো?

সাধারণ মোড অর্থ ঠিক রাখতে সতর্ক থাকে, তাই ভালো গঠনের বাক্য সামান্যই বদলায়। বড় পরিবর্তন চাইলে সৃজনশীল বা বিস্তার মোড চেষ্টা করুন, কিংবা সবুজ চিহ্নিত শব্দে চেপে নিজের পছন্দের সমার্থক শব্দ বসান।

মোবাইলে কি কাজ করে?

হ্যাঁ। পাতাটি হালকা, তাই অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোনের ব্রাউজারে আলাদা অ্যাপ ছাড়াই চলে। কপি, ডাউনলোড ও শেয়ার ল্যাপটপের মতোই কাজ করে, ধীর মোবাইল নেটওয়ার্কেও।

সম্পর্কিত গাইড

বিনামূল্যে প্যারাফ্রেজ টুল (বাংলা প্যারাফ্রেজিং) ব্যবহার করুন
লেখা পেস্ট করুন, মোড বেছে নিন, শেষ। সাইন-আপ লাগে না।
প্যারাফ্রেজ করুন