পয়েন্ট থেকে রচনা: কাজটা আসলে কী?
ভালো রচনার শুরু ভাবনা দিয়ে, বাক্য দিয়ে নয়। অনেকে ভাবনা আছে বলেও লিখতে বসে আটকে যান: কোনটা আগে, কোনটা পরে, কীভাবে এক অনুচ্ছেদ থেকে আরেকটিতে যাব। এই টুল ঠিক সেই ফাঁকটাই ভরে। আপনি দেন কাঁচা পয়েন্ট, টুল দেয় সংযোজক আর ক্রম সহ একটি গোছানো খসড়া।
কোন মোড কখন?
| মোড | কোথায় কাজে লাগে | কী পাবেন |
|---|---|---|
| একাডেমিক | অ্যাসাইনমেন্ট, রচনা অনুশীলন, প্রতিবেদন | সংযত ভাষা, যুক্তির ক্রম, ছোট উপসংহার |
| সৃজনশীল | ব্লগ, স্মৃতিকথা, ফেসবুক পোস্ট | প্রাণবন্ত বর্ণনা, কম আড়ষ্ট বাক্য |
| বিস্তার | পয়েন্ট কম, কিন্তু লেখা বড় দরকার | প্রতিটি পয়েন্ট খুলে ৪০০ থেকে ৭০০ শব্দের খসড়া |
টুলটি যা করে না
- কোনো তথ্য, পরিসংখ্যান, উদ্ধৃতি বা গবেষণার সূত্র বানায় না। এসব আপনাকেই দিতে হবে এবং যাচাই করতে হবে।
- আপনার হয়ে জমা দেওয়ার মতো চূড়ান্ত লেখা দেয় না। এটি খসড়া; নিজের ভাষা ও উদাহরণ যোগ করা আপনার কাজ।
- ভুল-মুক্ত হওয়ার নিশ্চয়তা দেয় না। ভাষা-মডেল ভুল করতে পারে।
খসড়া থেকে চূড়ান্ত লেখা: কাজের ধারা
- পয়েন্টগুলো যত নির্দিষ্ট দেবেন, খসড়া তত কাজের হবে। "পরিবেশ দূষণ খারাপ" না লিখে লিখুন "ঢাকার বায়ুদূষণ শীতকালে বাড়ে, আমি নিজে দেখেছি"।
- খসড়ায় নিজের একটি অভিজ্ঞতা বা স্থানীয় উদাহরণ বসান।
- অনুচ্ছেদ জেনারেটর দিয়ে একটি নির্দিষ্ট অনুচ্ছেদ আলাদা করে বদলে নিন। কাঠামো আগে ঠিক করতে চাইলে আউটলাইন জেনারেটর ব্যবহার করুন।
- বাংলা বানান চেকার ও ব্যাকরণ চেকার চালান।
- অন্যের তথ্য থাকলে সূত্র দিন, আর শিক্ষক বা প্রতিষ্ঠান এআই সহায়তা জানাতে বললে জানান।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিয়ম আলাদা। কোথাও খসড়ার জন্য এআই চলে, কোথাও চলে না। জমা দেওয়ার লেখা অবশ্যই আপনার নিজের ভাবনা ও নিজের বিচারের ফল হওয়া উচিত।