ছোট করা আর বড় করার মধ্যে পার্থক্য
লেখা ছোট করা মানে অর্থ ঠিক রেখে অনাবশ্যক অংশ বাদ দেওয়া। এটি সারাংশ নয়: সারাংশে মূল কথাটুকু আলাদা করে লেখা হয় (দেখুন সারাংশ টুল), আর সংক্ষেপ মোড প্রতিটি বাক্যকে ছোট করে। বড় করা মানে বিদ্যমান ভাবকে স্পষ্ট করে খুলে বলা; নতুন যুক্তি বা তথ্য যোগ করা নয়।
সংক্ষেপ মোড কী করে
| বাড়তি অংশ | আগে | পরে |
|---|---|---|
| ভূমিকার ঘটা | জানানো যাচ্ছে যে সভা হবে | সভা হবে |
| ব্যাপার, ক্ষেত্রে | পরীক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে | পরীক্ষায় |
| পুনরাবৃত্তি | ধীরে ধীরে আস্তে আস্তে | ধীরে ধীরে |
বিস্তার মোড কী করে, আর কী করে না
বিস্তার মোড একটি সংক্ষিপ্ত বাক্যে কারণ, প্রেক্ষাপট বা সংযোগ-শব্দ যোগ করে আরও পূর্ণাঙ্গ করে। যেমন "ইন্টারনেট পড়াশোনায় সাহায্য করে" বাক্যটি "ইন্টারনেট ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা সহজে বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য খুঁজে পায়, ফলে পড়াশোনায় সাহায্য হয়" ধরনের রূপ পেতে পারে। এখানে নতুন কোনো পরিসংখ্যান, উদ্ধৃতি বা তথ্য বানানো হয় না। ফলে বড় করা লেখায় তথ্য ও উৎস আপনাকেই যোগ করতে হবে।
আরও সাবলীল করতে বাক্য সংশোধন টুল, আর বাক্যগুলো নতুন শব্দে পুরোপুরি বদলাতে প্যারাফ্রেজ টুল ব্যবহার করুন। অনুচ্ছেদ কত বড় হওয়া উচিত তার ধারণা পেতে পড়ুন একটি অনুচ্ছেদে কয়টি বাক্য থাকা উচিত?।
সীমাবদ্ধতা
- টুলটি এআই-নির্ভর। সংক্ষেপে কোনো দরকারি তথ্য বাদ যেতে পারে; বিস্তারে অর্থ সামান্য সরে যেতে পারে। ফল সবসময় মূলের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।
- ঠিক কত শব্দে লেখা আসবে তা নিশ্চিত করা যায় না। শব্দসীমা কঠোর হলে ফল গুনে দেখুন।
- এআই সার্ভারে পৌঁছানো না গেলে সরল বিকল্প চালানো হয় না, কারণ শব্দতালিকা দিয়ে ছোট বা বড় করা নির্ভরযোগ্য নয়; ত্রুটির বার্তা আসে, আবার চেষ্টা করুন।
- প্রতি রানে ৬,০০০ অক্ষর পর্যন্ত।