সারাংশ আর সারমর্ম: পার্থক্য কী?
বাংলা শিক্ষায় সারাংশ আর সারমর্ম আলাদা। সারাংশে মূল লেখার প্রধান বিষয়গুলো সংক্ষেপে বলা হয়; সারমর্মে লেখার ভেতরের মর্মবাণী বা শিক্ষাটুকু ধরা হয়। অ্যাডেপ্টরাইটের সারাংশ টুল প্রথম কাজটির কাছাকাছি: মূল লেখার ভাবনাগুলো ছোট করে আনে।
তিন ভঙ্গি, তিন কাজ
| ভঙ্গি | কীভাবে দেখায় | কখন কাজে লাগে |
|---|---|---|
| বুলেট পয়েন্ট | "-" দিয়ে আলাদা মূল কথা | ক্লাসের নোট, মিটিংয়ের ফলাফল, দ্রুত পড়া |
| অনুচ্ছেদ | একটি ঘন অনুচ্ছেদ, ৩ থেকে ৬ বাক্য | প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ, অ্যাবস্ট্রাক্টের খসড়া |
| এক বাক্যে | একটিমাত্র বাক্য | শিরোনাম, পোস্টের ভূমিকা, দ্রুত স্মরণ |
টুলটি যা করে না
- মূল লেখায় নেই এমন তথ্য, মত বা ব্যাখ্যা যোগ করে না।
- ছবি, চার্ট বা সারণির ভেতরের তথ্য পড়ে না; শুধু আপনার পেস্ট করা লেখা সারাংশ হয়।
- নির্ভুলতার প্রতিশ্রুতি দেয় না। ভাষা-মডেল কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বাদ দিতে পারে, তাই চূড়ান্ত কাজে মূল লেখার সঙ্গে মিলিয়ে নিন।
- প্রতি রানে ৬,০০০ অক্ষর পর্যন্ত নেয়। দীর্ঘ বই বা প্রতিবেদন অংশে অংশে সারাংশ করে তারপর সেই সারাংশগুলো আবার সারাংশ করুন।
সারাংশ থেকে নিজের লেখায়
- সারাংশে মূল লেখকের ভাব আছে; অন্যের ভাবনা নিজের লেখায় আনলে সূত্র দিন, নইলে তা প্লেজারিজম হতে পারে। বাংলা প্লেজারিজম চেকার চালিয়ে দেখে নিন।
- সারাংশ নিজের ভাষায় ঢেলে লিখতে প্যারাফ্রেজ টুল কাজে লাগাতে পারেন।
- সারাংশের শব্দসংখ্যা মেপে নিতে বাংলা শব্দ গণনা দেখুন।
গবেষণা-অ্যাবস্ট্রাক্টের জন্য আলাদা অ্যাবস্ট্রাক্ট লেখক আছে, যা গবেষণার নোট থেকে কাঠামোবদ্ধ অ্যাবস্ট্রাক্ট বানায়।