প্লেজারিজম বা চৌর্যবৃত্তি কাকে বলে?
অন্যের লেখা বা ভাবনাকে নিজের বলে চালানোই প্লেজারিজম: উদ্ধৃতিচিহ্ন ছাড়া হুবহু তোলা, শব্দ সামান্য বদলে প্রায় একই বাক্য লেখা, কিংবা সূত্র না দিয়ে কারও ভাবনা ব্যবহার করা। সূত্র দিলেই অনেকখানি হুবহু নকল জায়েজ হয় না। ছোট উদ্ধৃতি উদ্ধৃতিচিহ্নে বসে, বাকি অংশ হতে হবে নিজের ভাষায় এবং সূত্রসহ। ধারণা আরও বিস্তারিত জানতে প্লেজিয়ারিজম কী গাইড দেখুন।
ফলাফল পড়বেন কীভাবে?
| ফল | মানে | করণীয় |
|---|---|---|
| অল্প মিল, ছোট বাক্যাংশ | নাম, শিরোনাম বা চালু বাক্যাংশ মিলেছে | সাধারণত সমস্যা নয় |
| একটি বাক্য বা অনুচ্ছেদ উৎসের কাছাকাছি | সূত্র ছাড়া নেওয়া হয়ে থাকতে পারে | উদ্ধৃতিচিহ্ন ও সূত্র দিন, অথবা নিজের ভাষায় লিখুন |
| ০% | খোঁজা উৎসে মিল পাওয়া যায়নি | মৌলিকতার প্রমাণ ধরবেন না |
স্কোর দেখায় কোথায় মিল আছে, কেন আছে তা নয়। নাম, উদ্ধৃত অংশ আর "বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ"-এর মতো চালু বাক্যাংশ সৎ লেখাতেও মিলে যায়। তাই সংখ্যাটিকে কারও বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করবেন না।
মিল ধরা পড়লে কী করবেন?
- সত্যিই উদ্ধৃতি হলে উদ্ধৃতিচিহ্ন দিন এবং সাইটেশন জেনারেটর দিয়ে সূত্র বানান।
- বেশি কাছাকাছি হলে উৎসটি বন্ধ করে স্মৃতি থেকে নিজের ভাষায় লিখুন; শুধু সমার্থক শব্দ বদলানো যথেষ্ট নয়। কৌশল জানতে বাংলায় প্যারাফ্রেজ করার নিয়ম পড়ুন, আর খসড়ায় সাহায্য নিতে প্যারাফ্রেজ টুল ব্যবহার করুন।
- আবার যাচাই করে দেখুন মিল কমেছে কি না।
- লেখা এআই দিয়ে তৈরি হতে পারে বলে সন্দেহ হলে আলাদা, স্পষ্টভাবে "অনুমান" লেবেলযুক্ত ফলের জন্য এআই ডিটেক্টর দেখুন।
জমার আগে
শেষ রাতে নয়, খসড়া অবস্থাতেই যাচাই চালান। আরও জানতে প্লেজিয়ারিজম এড়ানোর উপায় ও বাংলা লেখার প্লেজিয়ারিজম চেক গাইড পড়ুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের সফটওয়্যারের ফল এই টুলের ফলের চেয়ে ভিন্ন হতে পারে।