আউটলাইন কেন আগে বানাবেন?
লিখতে বসে আটকে যাওয়ার বড় কারণ হলো কাঠামোর অভাব। কী আগে বলব, কোন যুক্তির পর কোনটি আসবে, উপসংহারে কী থাকবে, এসব আগে ঠিক করলে লেখা অনেক দ্রুত এগোয়। রূপরেখা হলো সেই মানচিত্র। একে নিজের মতো কাটাছেঁড়া করে নেওয়াই কাজের কথা।
চার মোডের পার্থক্য
| মোড | কাঠামো |
|---|---|
| নিবন্ধ | কাজ-চালানো শিরোনাম, ভূমিকা, ৫ থেকে ৮টি মূল অংশ (প্রতিটিতে ২ থেকে ৪ উপ-পয়েন্ট), উপসংহার, ৩টি সম্ভাব্য প্রশ্ন |
| রচনা | এক বাক্যের থিসিস, ভূমিকা, ৩ থেকে ৫টি মূল অংশ (দাবি, যুক্তি, উদাহরণের ধারণা), উপসংহার |
| থিসিস | ভূমিকা থেকে সাহিত্য পর্যালোচনা, পদ্ধতি, ফলাফল ও আলোচনা, উপসংহার ও সুপারিশ পর্যন্ত অধ্যায়, প্রতিটিতে ৩ থেকে ৬ উপ-অংশ |
| প্রেজেন্টেশন | ৮ থেকে ১৫টি স্লাইড, প্রতিটির শিরোনাম, মূল বার্তা, ২ থেকে ৪ পয়েন্ট ও বক্তব্যের নোট |
টুলটি যা করে না
- তথ্য, পরিসংখ্যান বা গবেষণার সূত্র বানায় না। যেখানে গবেষণা দরকার, সেখানে তা উপ-পয়েন্টে চিহ্নিত থাকে।
- আপনার প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট থিসিস-ফরম্যাট (যেমন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নির্দেশিকা) নিশ্চিত করে না। সুপারভাইজার বা বিভাগের নির্দেশিকার সঙ্গে মিলিয়ে নিন।
- পুরো লেখা লেখে না। প্রতিটি অংশ নিজে লিখুন, অথবা অনুচ্ছেদ জেনারেটর ও রচনা লেখক দিয়ে খসড়া করে নিন।
ভালো আউটলাইনের জন্য
- বিষয় সংকীর্ণ করুন: "পরিবেশ"-এর চেয়ে "ঢাকার বায়ুদূষণ ও শীতকালীন প্রভাব" থেকে ভালো রূপরেখা আসে।
- পাঠকের কথা লিখুন, যেমন "নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী" বা "ছোট ব্যবসার মালিক"।
- রূপরেখা পেলে অপ্রাসঙ্গিক অংশ বাদ দিন, ক্রম বদলান।
- গবেষণা-চিহ্নিত জায়গায় নিজে সূত্র খুঁজুন এবং সূত্রের তালিকা বানাতে সাইটেশন জেনারেটর ব্যবহার করুন।
থিসিসের শিরোনাম ঠিক করা থাকলে থিসিস শিরোনাম জেনারেটর থেকে অধ্যায় সহ আইডিয়া পেতে পারেন।