কখন বাক্য সংশোধন দরকার?
ব্যাকরণে ভুল নেই, তবু পড়তে গিয়ে হোঁচট খেতে হয়, এমন বাক্য অনেকের লেখাতেই থাকে। কারণগুলো সাধারণত এগুলো: বাক্য বেশি লম্বা, একই কথা দুবার বলা, কর্তা ও ক্রিয়ার মাঝে অনেক দূরত্ব, ইংরেজি গঠনের সরাসরি অনুবাদ, বা "করে থাকে", "ব্যাপারে", "ক্ষেত্রে"-র মতো বাড়তি শব্দের ভিড়।
ব্যাকরণের ভুল ধরতে ব্যাকরণ চেকার বেশি উপযোগী; এই টুল বাক্যের পাঠযোগ্যতা বাড়ায়।
ঠিক-ভুল নয়, স্বচ্ছতার প্রশ্ন
| সমস্যা | আগে | পরে |
|---|---|---|
| বাড়তি শব্দ | আলোচনা করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে | আলোচনার সিদ্ধান্ত হয়েছে |
| ইংরেজি গঠন | এটি এমন একটি বিষয় যা আমরা সবাই জানি | এটা আমরা সবাই জানি |
| পুনরাবৃত্তি | তিনি দ্রুত তাড়াতাড়ি চলে গেলেন | তিনি দ্রুত চলে গেলেন |
সাধারণ মোড না আনুষ্ঠানিক মোড?
সাধারণ মোড লেখাকে সরল ও স্পষ্ট করে। প্রবন্ধ, ব্লগ, অ্যাসাইনমেন্টের জন্য এটাই ভালো। আনুষ্ঠানিক মোড বাক্য আরও মার্জিত করে, দরখাস্ত, প্রতিবেদন ও একাডেমিক লেখার জন্য। সুর আরও আলাদা করে ঠিক করতে চাইলে টোন বদল টুল আছে, যেখানে অফিস ও ঘরোয়া মোডও পাবেন।
বাক্য ছোট বা বড় করতে নির্দিষ্টভাবে চাইলে বাক্য ছোট ও বড় করার টুল ব্যবহার করুন। নতুন শব্দে পুরো লেখা বদলাতে চাইলে প্যারাফ্রেজ টুল।
সীমাবদ্ধতা
- টুলটি এআই-নির্ভর। কোনো নির্ভুলতার হার দাবি করা হয় না; ফল সবসময় নিজে পড়ে নিন, বিশেষত নাম, সংখ্যা, পারিভাষিক শব্দ ও উদ্ধৃতিতে।
- এআই সার্ভারে পৌঁছানো না গেলে সরল শব্দতালিকা দিয়ে কাজ চালানো হয় না, কারণ তা বাক্য গোছাতে পারে না। ত্রুটির বার্তা আসে, আবার চেষ্টা করুন।
- লেখকের নিজস্ব শৈলী, কাব্যিক ভঙ্গি বা ইচ্ছাকৃত পুনরাবৃত্তি সরলীকরণে হারাতে পারে।
- প্রতি রানে ৬,০০০ অক্ষর পর্যন্ত।